আয় করুন ফেসবুক থেকে

geld-verdienen-468x60

বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৪

ফেসবুক হলো মানি মেশিন ।। ফেসবুক ব্যবহার করে কোটিপতি বাংলাদেশী তরুণ আবির খান

ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ আয়ের নানা উপায়ের মধ্যে একটি হলো ফেসবুক। শুধু ফেসবুকের মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করা যায় এমনকি কোটিপতি হওয়া সম্ভব তাই দেখিয়েছেন একজন বাংলাদেশী তরুণ। দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা আর কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে এ কাজে সফল হয়েছেন লন্ডন প্রবাসী আবির খান। ব্রিটিশ কম্পিউটার সোসাইটির সদস্য আবির খান কম্পিউটার সায়েন্সে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অভ লন্ডন থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন ২০১১ সালে। এই মাইক্রোসফট সার্টিফায়েড সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার (এমসিএসই) গতানুগতিক চাকরির চিন্তা না করে দীর্ঘ ৬ বছর অনলাইনে মার্কেটিং করতে গিয়ে খোঁজা শুরু করেন ফেসবুক থেকে আয়ের উপায়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এটা নিয়ে গবেষণা করে খুঁজে বের করেন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে যে কেউই খুব সহজেই ফেসবুক থেকে আয় করতে পারবেন। ফেসবুকের মাধ্যমে আয় করা অর্থ দিয়েই বর্তমানে লন্ডনে নিজ বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন এই বাংলাদেশী তরুণ কোটিপতি, কিনেছেন দামি গাড়িও।
ফেসবুকের মাধ্যমে আয়ের এই পদ্ধতিটি প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে তিনি লন্ডনের স্থানীয় কিছু ছাত্রকে শেখান। খুব অল্প দিনেই এই ছাত্ররা দৈনিক ৩শ’ থেকে ৫শ’ ডলার আয় করা শুরু করেন। দেশের মানুষের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথা ভেবে তিনি এই পদ্ধতিটি বিচ্চারের পরিকল্পনা করেন বাংলাদেশেও। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি প্রকাশ করেন ‘ফেসবুক ক্যাশ ফর্মূলা’ নামে একটি ই-বুক। পেশায় ফুলটাইম ইন্টারনেট মার্কেটার ও ওয়েব কনসালটেন্ট আবির খান অনলাইনে বিশ্বব্যাপী এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীকে কীভাবে অনলাইনে আয় করতে হয় তা শিখিয়েছেন।
২৯ বছর বয়সী ব্যাচেলর আবির খানের জন্ম সিলেটে। তার মা মনোয়ারা বেগম রূপালী ব্যাংকের ম্যানেজার ও বাবা মেজর মো. আলমগীর। তিন ভাইয়ের মধ্যে আবির সবার ছোট। বড় ভাই এ বি এম আশরাফুল আলম (সুমন) এমবিএ সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং মেঝো ভাই মো. মাসুম-উল আলম (মাসুম) এমএসএস সম্পন্ন করে ব্যবসার সাথে জড়িত।
আবির খান বলেন, ‘২০০৮ সালে আমি লন্ডনে একটি সেমিনরে অংশগ্রহণ করি এবং সেই সেমিনার থেকেই আমার মূলত ইন্টারনেটে মার্কেটিং জগতে আসা। যদিও আমার আইটি ব্যাকগ্রাউন্ড কিন্তু ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের ব্যাপারে আমার আগে কোনো ধারণাই ছিল না আর যেটুকু ছিল তা হলো যে বাড়ি বসে টাকা আয় করা সম্ভব নয়। তারপরও সেই সেমিনারের পর ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে মার্কেটিং করতে করতে একদিন আমি বুঝতে পারি যে এখান থেকে প্রচুর টাকা আয় করা সম্ভব। তারপর অনেক গবেষণার পর আমি একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করি যেটি দিয়ে প্রতিদিন ৩০০ ডলার আয় করা সম্ভব। কিন্তু এই লেভেল পর্যন্ত আসার জন্য প্রথমে অনেক পরিশ্রম করতে হবে।’
তিনি প্রথম ইন্টারনেটে আয় করা শুরু করেন ২০০৮ সালে। তার প্রথম আয় ছিল ৩৭ ডলার বর্তমানে তা ৪-৫ হাজার ডলার যা কখনো কখনো বেড়ে দাঁড়ায় ৮-১০ হাজার ডলারের মতো। তিনি জানান, ফেসবুক মার্কেটিং করার জন্য প্রয়োজন একটি ফেসবুক একাউন্ট এবং একটি ফ্যানপেজ। কারো শুধু সদিচ্ছা আর টাকা আয় করার মানসিকতা এবং সেই সাথে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সম্পর্কে মৌলিক ধারণা থাকলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে তিনি ঘরে বসে টাকা আয় করতে পারবেন।
তার আবিকৃত এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আমাদের বেকার সমাজকে আয়ের পথ দেখানোর ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর ৪ হাজার বিলিয়ন ডলারের লেনদেন হয় ইন্টারনেটের মাধ্যমে। এর থেকে যদি আমরা শতকরা এক ভাগও নিয়ে আসতে পারি আমাদের দেশে তাহলে আমাদের দেশে আর কোনো বেকার থাকবে না। বর্তমানে আমাদের দেশে ৬ কোটি শিক্ষিত বেকার আছেন যাদেরকে আমরা সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারি। এজন্য আমাদের যা করতে হবে তা হলো আমাদের দেশের বেকার যুবকদেরকে ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের জন্য সঠিক প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তুলতে হবে। আমার আবিষ্কৃত এই পদ্ধতিটি যদি সঠিকভাবে বাংলাদেশের তরুণরা ব্যবহার করেন তাহলে জাতীয় অর্থনীতিতে এক বিশাল ভূমিকা রাখা যাবে বলে আমি মনে করি।’
ইন্টারনেট বা ফেসবুক ব্যবহার করে আয় করতে গিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বাংলাদেশে পেপাল সাপোর্ট করে না। আবির খান এমন একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন যা ব্যবহার করে বাংলাদেশে বসে ভেরিফাইড পেপাল একাউন্ট করা সম্ভব। যদি কারো ভেরিফাইড পেপাল একাউন্ট থাকে তাহলে তার আর কোনো সমস্যাই থাকবে না।
তিনি মনে করেন, এখন ফেসবুক আর অহেতুক সময় নষ্ট করার জায়গা নয়। ফেসবুক হলো মানি মেশিন যদি আপনি জানেন কীভাবে এটাকে কাজে লাগিয়ে উপার্জন করা যায়। তাই আবির খান বিভিন্ন সভা, সেমিনার, ওয়েবিনার (ওয়েব বেজড সেমিনার), ওয়ার্কশপ আয়োজন করছেন নিয়মিত যাতে এই পদ্ধতিটি সম্পর্কে মানুষ খুব সহজেই জানতে পারেন। এসব তিনি আয়োজন করতে চান দেশের প্রতিটি জেলায়। এরই ধারাবাহিকতায় খুব শীঘ্রই চট্টগ্রামেও ওয়ার্কশপ আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানালেন তিনি।
আবির খানের উদ্ভাবিত ‘ফেসবুক ক্যাশ ফর্মুলা‘ ও চট্টগ্রামে ওয়ার্কশপ সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭৯১ ৬৮১ ৬৬২ নম্বরে বা support@bdonlineincome.com ইমেইলে অথবা ভিজিট করুন BdOnlineincome.com

ফেসবুকে আছে একটি আলাউদ্দিনের চেরাগ !!!!!! ব্যবহার করুন

প্রথমেই বাস্তব উদাহরণ দেই
ক্রিয়েটিভ আই টি থেকে হোম ওয়ার্ক দেয়া হলো, ১০০০ মানুষ এর কাছে একটি বিজ্ঞাপন পাঠাতে হবে | যেমন কথা তেমন কাজ , শুরু করে দিলাম , যদু , কদু , আবুল , কাবুল যাকে পাই তাকেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে থাকি | উদ্দেশ্য খুবই সহজ এবং পানির মত | ১০০০ বন্ধু বানাবো এবং বিজ্ঞাপন দিয়ে দিয়ে দিয়ে তাদের মগজ এর চাটনি বনিয়ে ফেলবো এবং স্যার কে দেখিয়ে দেব সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কাকে বলে | সব কিছু চলছিলো  ঠিকঠাক কিন্তু আমার সফলতা মার্ক জকারবার্গ সাহেবের পছন্দ হলনা , তিনি আমার ফেসবুক একাউন্ট ব্যান করে দিলেন | এবং একাউন্ট ফিরে পেতে আমার মগজ এর চাটনি হয়ে গেলো |
তাহলে আমার কি করা উচিত ছিলো ?
আসলে কিভাবে ফেসবুক মার্কেটিং এ এগোতে হবে তা পরের ক্লাসে জানতে পারলাম বাংলাদেশী ফেসবুক গডফাদার এর কাছ থেকে | এখানেই লুকিয়ে আছে আলাউদ্দিনের দৈত্য আপনার কাজ শুধু তাকে জাগানো এরপর সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ সফলতা সময়ের বেপার মাত্র তবে আপনাকে অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া তে সময় দিতে হবে নাহলে আপনার মার্কেটিং দানব টি অন্যের হাতে চলে যাবে | ফেসবুক গ্রুপ হলো আমাদের মার্কেটিং দানব আর এতো কথা বললাম আপনাদের একটু সিরিয়াস বানাবার জন্য |
ফেসবুক গ্রুপ

ফেসবুক গ্রুপ

ফেসবুক গ্রুপ হলো যাখানে যুক্ত হয়ে কিছু লোক নিজেদের মধ্যে শেয়ারিং করতে পারে এটা অবশ্যই সবার জানা | তবে ওস্তাদ লোকেরা এটা দিয়ে মার্কেটিং এর জাদু চালাতে পারেন | যদি অনুপ্রাণিত হতে চান তাহলে জেসন ফিকের কাহিনী পড়ুন যিনি ফেসবুক ব্যবহার করে কোটিপতি | আমি পরবর্তীতে কয়েকটি ফেইসবুক গ্রুপ এর সাথে যুক্ত হই যাখানে সদস্য সংখা প্রত্যেকটিতে ২৫০০০ এর উপরে আর এরকম চার পাচটি গ্রুপ এ পোস্ট দিলে অনায়সে আপনার বিজ্ঞাপনটি এক লক্ষ লোকের কাছে পৌছানো সম্ভব | এখন কষ্ট লাগে এই ছোট্ট ইনফরমেশন টুকুর অভাবে ফেইসবুকএ ব্যান খেলাম |
Great-Facebook-Group

ফেসবুক গ্রুপ মার্কেটিং এর গভীরে

প্রথমেই জানিয়ে রাখি , অনলাইন মার্কেটিং এ সফলতা পেতে হলে আপনার অফলাইন মার্কেটিং সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে | আপনি যদি আকর্ষণ তৈরী করতে না পারেন তাহলে ক্রেতা পাবেন না | আর সফলতার শিখরে পৌছাতে হলে আপনাকে কাজে লাগাতে হবে আপনার অনন্য আইডিয়া | যে গ্রুপ এর মধ্যে আপনার বিজ্ঞাপন দিবেন শুরুতে দেখতে হবে আপনার বিজ্ঞাপন গ্রুপটির সাথে কতটুক সামঞ্জস্য পূর্ণ | অবশ্যই ধান এর বাজারে ওল বিক্রি করতে যাবেন না | অনেক বড় গ্রুপ বাছাই করার চাইতে এমন গ্রুপ বাছাই করুন যার মেম্বারদের একটিভিটি বেশি | নিয়মিত পোস্ট করুন , কমেন্ট রিপ্লে দিন , কাস্টমারদের যোগাযোগ রাখুন | সময় মাথায় রেখে পোস্ট দিন যাতে সবার চোখে পড়ে | সাধারণত ওয়ার্কিং টাইম এ পোস্ট দিলে তা মানুষের চোখে কম পড়ে | সপ্তাহের ছুটির দিনে ভালো একটি পোস্ট দিন | লোভনীয় কোনো অফার রাখুন | কেন কেউ আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস গ্রহণ করবে তা নিয়ে ভাবুন এবং বিজ্ঞাপনের মাঝে তা ফুটিয়ে তুলুন | অনান্য মার্কেটার দের পদ্ধতি খেয়াল করুন | নতুনত্ব রাখুন প্রোডাক্ট এবং অফার এর ক্ষেত্রে | খুব ভালো হয় যদি নিজেদের একটি গ্রুপ নিয়ে কাজ করেন এবং সকলে লাইক কমেন্ট এর মাধ্যমে একটিভ থাকেন |   UW Bothell students from the DREAM project.

আজই তৈরী করুন আপনার ফেসবুক গ্রুপ

বিভিন্ন গ্রুপ এর বিভিন্ন বিধি নিষেধ থাকে তাই ভালো হয় যদি আপনি নিজের একটি গ্রুপ তৈরী করে নিতে পারেন | মনেরাখা ভালো গ্রুপ তৈরী করা যত সহজ তাকে প্রতিষ্ঠা দেয়া তত কঠিন | সময় , শ্রম , মেধা একসাথে কাজে লাগাতে  পারলে সম্ভব আর এটি একটি দীর্ঘ মেয়াদী প্রক্রিয়া | তবে একবার এটা তৈরী হলে কষ্ট কমে যাবে আর আপনার মার্কেটিং চলতে থাকবে সফল ভাবে এবং আপনার পোস্ট গুলি পিন করে সবার উপরে রাখতে পারবেন | গ্রুপ তৈরী করতে এখানে যান | কয়েকজন মিল গ্রুপ শুরু করা উচিত এবং কিছু ভালো পোস্ট জমা হলে মেম্বার অ্যাড করা উচিত যাতে সবাই কমেন্ট লাইক এর মাধ্যমে একটিভ হতে পারে |fb2

সদস্য তৈরী করুন হিসাব করে

যেমন দুষ্টু গোরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল ভালো তেমনি ১০০ টি অকর্মা মেম্বার থাকার চেয়ে একটি সক্রিয় মেম্বার থাকা ভালো | একটি ফেইসবুক গ্রুপ এর কথা শুনেছি যার মেম্বাররা বাথরুমে গেলেও তার জন্য একটি স্টেটাস দিয়ে যায় | তাই যেহেতু সদস্যরা গ্রুপ এর প্রাণ তাই নিস্প্রান সদস্য গ্রুপ এ না থাকাই ভালো | আর একটি কথা , কাউকে অনুরোধ করে গ্রুপ এ আনলে সে মর্ম বুঝে না তাই রিকোয়েস্ট পেলে কেবল তাকে গ্রুপ এ অ্যাড করা উচিত |
fb 1

নিয়মিত পোস্ট করুন

অ্যাডমিন হলো গ্রুপ এর জীবনী শক্তি তাই তাকে থাকতে হবে সব চাইতে সক্রিয় | পোস্ট করা , পোস্ট করানো , সবকিছু পর্যবেক্ষণ করা এগুলোতে অলসতা করলে সফল হওয়া যাবে না |
তো | আপনার আলাউদ্দিনের চেরাগটি জালাচ্ছেন কবে ?

ফেসবুক ব্যবহার করে কোটিপতি

     
তিন বছর আগে জেসন ফিক ছিলেন দেউলিয়া।ফেসবুকের কল্যাণে ভাগ্য বদলে ফেলেছেন তিনি। 
তিন বছর আগে জেসন ফিক ছিলেন দেউলিয়া।ফেসবুকের কল্যাণে ভাগ্য বদলে ফেলেছেন তিনি।তিন বছর আগেও যিনি ছিলেন দেউলিয়া, পথের ফকির, জেল ফেরত আসামি আর আজ তাঁর মাসে আয় দুই লাখ ৭৫ হাজার ডলারেরও বেশি! বাংলাদেশি অর্থ যার পরিমাণ দুই কোটি সাড়ে নয় লাখ। ফেসবুকের যথাযথ ব্যবহারই তাঁকে দেউলিয়া থেকে কোটিপতি বানিয়েছে। বলা হচ্ছে, ডব্লিউটিএফ ম্যাগাজিন ও ফানিয়ারপিকস ডটনেটের প্রতিষ্ঠাতা জেসন ফিকের কথা।

ফেসবুকের কল্যাণে নিজের ভাগ্যকে পরিবর্তন করা জেসন ফিককে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিজনেস ইনসাইডার। ২০০৫ সাল থেকেই অর্থকষ্টে ছিলেন জেসন। রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু এক্ষেত্রে বাজারে মন্দা চলতে থাকায় তাঁর দুরাবস্থা সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছায়। স্ত্রী-পুত্র নিয়ে পড়েন মহাবিপদেই। টিকে থাকার জন্য আয়ের পথ খুঁজতে থাকেন তিনি।
এ সময়ই তাঁর বন্ধুরা একটি ওয়েবসাইট খোলার পরামর্শ দেন জেসনকে। বন্ধুদের কথা শুনে ডব্লিউটিএফ ম্যাগাজিন ডটকম ডোমেইনটি কিনে ফেলেন তিনি। চিন্তা করেন এই সাইটটিতে বিনোদনমূলক বিভিন্ন কনটেন্ট রাখবেন তিনি। তাঁর এই ডিজিটাল উদ্যোগের সঙ্গে হাত মেলান কয়েকজন বন্ধু। কিন্তু এ সময় কোনো অর্থকড়ি ছাড়াই শুরু করতে হয় এই উদ্যোগটি। জেসনের ভাষ্য, ‘আমার দলটি কোনো রকম আর্থিক সুযোগ-সুবিধা ছাড়া কাজ করে যাচ্ছিল। আমরা মজার মজার কনটেন্ট তৈরি করে যাচ্ছিলাম। আমরা আসলে কী করছিলাম সে সম্পর্কে ধারণা ছিল না।’
২০১১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েবসাইট চালু করেন তিনি। এতে মজার মজার সব কনটেন্ট আপলোড করেন। তৈরি করেন ফেসবুক পেজ এবং তাঁর ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে একই রকম কনটেন্ট শেয়ার করতে শুরু করেন। এ সময় ম্যাগাজিনের জন্য একটি গল্প সংগ্রহ করতে গিয়ে তাঁকে জেলে যেতে হয়। তাঁর বিরুদ্ধে মারামারিতে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তাঁর জীবন আরও দুর্বিসহ হয়ে ওঠে। কোনো চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনাও ছিল না। পরিবারকে সাহায্য করার মতো অর্থও ছিল না। তিনি আত্মহত্যার কথাও ভাবতে শুরু করেন। কিন্তু তাঁর কারাভোগের অভিজ্ঞতার ঘটনা প্রকাশের জন্য একটি মাধ্যম খুঁজছিলেন তিনি। এ সময় তিনি বেছে নেন ফেসবুককে।
জেসন ফিক পরিকল্পনা করেন তাঁর ম্যাগাজিনসহ বেশ কিছু ফেসবুক পেজ খুলবেন এবং সেগুলোতে লাইক বাড়ানোর মাধ্যমে তাঁর তৈরি ওয়েবপেজগুলোতে ভিজিটর আনবেন। এরপরই জেসন শুরু করেন তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ।
বিভিন্ন নামে ফেসবুকে ফ্যান পেজ খুলে লাইক বাড়ানোর কাজ শুরু করেন তিনি। তাঁর প্রচেষ্টা বিফলে যায়নি। ওয়েবসাইটে ভালো কনটেন্ট এবং ফেসবুকে লাইকের কারণে ওয়েবসাইটে ভালো পাঠক পেতে শুরু করেন এবং বিজ্ঞাপন থেকে দ্রুত তাঁর আয় বাড়তে থাকে।
শুরুতে অনেকগুলো ফেসবুক পেজ তৈরি করে তা চালাতে শুরু করেন জেসন। জেসন বলেন, ‘ফেসবুকে অনর্থক সময় দেওয়ার জন্য আমার স্ত্রী রাগ করতে শুরু করলেও আমি না খেয়ে বসে ফেসবুক পেজগুলো চালাতাম। আমি আমার স্ত্রীকে বলতাম ফেসবুকে আমি যে ডিস্ট্রিবিউশনের কাজ করছি এর মূল্য একদিন পাব।’
বর্তমানে জেসন ৪০টি ফেসবুক পেজ চালাচ্ছেন এবং এসব পেজগুলোতে সব মিলিয়ে দুই কোটি ৮০ লাখ লাইক রয়েছে। এই ফেসবুক পেজগুলো থেকে তাঁর ওয়েবসাইটে অসংখ্য পেজভিউ হয়। ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন থেকে তাঁর আয়ও আসে প্রচুর। এ ছাড়াও জেসন সোশ্যাল মিডিয়া বিষয়ক পরামর্শক হিসেবেও ব্যবসা শুরু করেছেন। বর্তমানে ১৬ জনের কর্মসংস্থানও করেছেন তিনি।
৪০ বছর বয়সী জেসন ফিক দাবি করেন, শুধু ফেসবুকের কার্যকর ব্যবহারের কল্যাণেই তাঁর ভাগ্য বদলাতে পেরেছেন এবং নিজেকে একজন কোটিপতি হিসেবে দেখতে পারছেন। এই ব্যবসায় লাভ যেমন তেমনি চ্যালেঞ্জও রয়েছে।
ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা সম্পর্কে জেসন মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগের এই ‘যুদ্ধক্ষেত্রে’ পরিকল্পনা পাল্টে তিনি ব্যবসা করে যাচ্ছেন। একে যুদ্ধক্ষেত্র মনে করার কারণ হচ্ছে, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মাঝে মাঝেই তাদের এলগরিদম পরিবর্তন করে এ ধরনের উদ্যোগকে ঠেকানোর চেষ্টাও করে থাকে।

বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৪

অনলাইনে কাজের প্রকারভেদ

অনলাইনে কাজের প্রকারভেদ

অনলাইনে প্রায় সকল ধরনের কাজ করা যায় আপনি যে কাজে পারদর্শী তা দিয়েই ঘরে বসে আয় করতে পারেন । এজন্য আপনাকে যে কম্পউটার সায়েন্সর উপর ডিগ্রিধারী হতে হবে এমন কোন কথা নেই । এছাড়া আপনি যদি মনে করেন কোন একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আপনি বিশেষ পারদর্শী নন তাহলে ডাটা এন্টির মত কাজগুলোও সহজেই করতে পারেন । ছাত্ররাও ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে পড়ালেখার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের একটা করতে পারেন । ইন্টারনেটে নিম্নলিখিত প্রকারের কাজ পাওয়া যায় :
· প্রোগ্রামিং
· ওয়েব সাইট তৈরী
· ডাটাবেজ
· গ্রাফিক্স ডিজাইন
· অ্যানিমেশন
· গেম তৈরী
· ডকুমেন্টেশন
· প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট
· সফটওয়্যার টেস্টিং
· ডাটা এন্টি

Facebook Cash Formola

ইন্টারনেটে আয়ের তথ্য, বিশেষ করে ফেসবুকের আয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে ‘ফেসবুক ক্যাশ ফর্মুলা’ নামের ই-বই। বইটি লিখেছেন প্রকৌশলী আবির খান। ফেসবুকে আয়ের বিভিন্ন পদ্ধতির বিস্তারিত বর্ণনা এবং অনলাইনে আয়ের তথ্য পাওয়া যাবে ই-বইটিতে। বইটি পাওয়া যাবে www.bdonlineincome.com ঠিকানায়।

Networking & Information Systems

এর মধ্যে আছে নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডিবিএ , সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ইআরপি/সিআরএম ইমপ্লিমেনটেশন ইত্যাদি।

শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৪

Card

আপনারা বলুন তো আমার তৈরীকৃত কার্ডটির মূল্য কত হতে পারে?
আমি এই রকম বহু কাজ জানি যদি কখনো আপনার কোন কার্ড-এর প্রয়োজন হয় অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করতে ভুলবেন না।




আমি এর মূল্য দিয়েছি ৪০ টাকা মাত্র

যোগাযোগঃ
Delowar Hossain
Phone: +88 01838 29 88 55
Email: hdelowar194@gmail.com

Software Development (সফট্ওয়্যার ডেভেলপমেন্ট)

এই বিভাগের মধ্যে আছে ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন, গেম ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্ট ও েইউটিলিটি, সফট্ওয়ার প্লাগ-ইনস, মোবাইল যাপ্লিকেশন, ইন্টরফেস ডিজাইন, সফট্ওয়্যার প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, সফট্ওয়্যার টেস্টিং, ভিওআইপি ইত্যাদি।


Web Development (ওয়েব ডেভেলপমেন্ট)

এই বিভাগের মধ্যে আছে আবার ওয়েব সাইট ডিজাইন, ওয়েব প্রোগ্রামিং, ই-কমার্স, ইউজার ইন্টরফেস ডিজাইন, ওয়েব সাইট টেস্টিং, ওয়েব সাইট প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।

শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৪

Online এ যে ধরণের কাজ পাওয়া যায়

 


আউটসোর্সিং সাইটের কাজগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা থাকে। যেমন: Web Development, Software Development, Networking & Information, Writing & Translation, Administrative Support, Design & Multimedia, Customer Service, Sales & Marketing, Business Services etc.

বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৪

Graphic Caed

আপনি যদি ভালো ডিজাইন করতে পারেন তাহলে সেগুলো দিয়েও ইন্টারনেটে প্রচুর পরিমাণ আয় করতে পারবেন।
আপনার নিজের নাম দিয়ে তৈরী করে নিন বিভিন্ন ডিজাইন-এর  ওয়ালপেপার, কভার ফটো, লোগো
বিজনেস্ কার্ড, 2Dআ্যনিমিশন সহ অনেক কিছু।

মূল্যঃ ৩৫ টাকা মাত্র

 মূল্যঃ ২০ টাকা মাত্র

মূল্যঃ ৩০ টাকা মাত্র
মূল্যঃ ৩০ টাকা মাত্র

যোগাযোগঃ
Delowar Hossain
Phone: 01838 29 88 55
Email: hdelowar194@gmail.com

Facebook Cash Formola

বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক হারে Facebook ব্যবহার হচ্ছে। কিন্তু আপনি জানেন কি? এখন Facebook থেকে প্রতিমাসে প্রচুর টাকা উপার্জন করা যায় ।
এখানে বিভিন্ন প্রকার ব্যবসার সুযোগ আছে । যদি কিছু না মনে করেন তবে বলতে চাই আসলে আমরা বাংলাদেশীরা কোন কাজে ঝুকি নিয় না । এটাই আমাদের অপরাধ। আমি নিজে একদিন প্রথম আলো পত্রিকার কম্পিউটার বিভাগে একটি  লেখা পড়লাম । সে খানে লেখক বলেছেন তার লেখা বই পড়ে যে কোন ব্যক্তি মাসে প্রচুর পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারবে Facebook ব্যবহার করে ।
চাইলে আপনিও নিতে পারেন সেই E-book টি।

আউটসোর্সিং

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরণের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাদের ফ্রিল্যান্সার বলে। ফ্রিল্যান্সার মানে হলো মুক্ত বা স্বাধীন পেশাজীবী। আউটসোর্সিং সাইটে যিনি কাজ করেন তাকে বলে কন্ট্রাক্টর (তিনি কন্ট্রাক্টে কাজ করেন)। আর যিনি কাজ দেন তাকে বলে বায়ার/এমপ্লয়ার (তিনি কন্ট্রাক্টে কাজ দেন)

আপনি কি ঘরে বসে আয় করতে চান?

আস সালামু আলাইকুম , আশাকরি আপনারা সবাই ভালো আছেন আমি জীবনে এর আগে কখনো ব্লগ ব্যবহার করিনি । বন্ধুদের কাছ থেকে অনেক শুনেছি যে তারা নিয়মিত ব্লগে লেখা-লেখি করে তাই আমিও ভাবলাম আমার একটা ব্লগ থাকলে ভালোই হতো আমিও সেখানে লেখালেখি করতে পারতাম যেই ভাবা সেই কাজ শুরু করে দিলাম কাজ
ঘরে বসে আয় করুন প্রতিদিন 120 ডলার